Green Tonic (4-Chlorophenoxy Acetic Acid)

গ্রীন টনিক

৪-সিপিএ

(4-Chlorophenoxy Acetic Acid)

 

৪-সিপিএ (৪-ক্লোরোফেনক্সি এসেটিক এসিড) ব্যবহারের সুবিধা:

  • ৪ -ক্লোরোফেনক্সিয়াসেটিক এসিড 4-সিপিএ গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক হিসাবে ব্যবহৃত হয়
  • ৪ -সিপিএ উদ্ভিদের শিকড়, কাণ্ড, পাতা, পুষ্প এবং ফলের মাধ্যমে শোষিত হয়।
  • ৪ -সিপিএ ফল পাকার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে
  • ৪ -সিপিএ উচ্চ ডোজে ব্যবহার করলে এটি অনেক সময় হার্বিসাইডাল ইফেক্ট দেখায়
  • ৪ -সিপিএ গাছে  ফল ধরার হার বৃদ্ধি করতে পারে

 

প্যাক সাইজ ৫০ মিলি, ১০০ মিলি, ৪০০ মিলি, ১ লিটার।

ব্যবহার ক্ষেত্র:

 

টমেটো, বেগুন, আলু, শিম, মরিচ, করলা, ঝিংগা, চিচিংগাসহ সকল প্রকার তরিতরকারী, আম, লিচু, কলা, পেঁপে, তরমুজ, আনারস, পেয়ারা, কুলসহ সকল প্রকার ফল, গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাঁদাসহ সকল প্রকার ফুল। ধান, গম, তামাক, ভুট্টাসহ সকল প্রকার ফসল, যাবতীয় ডাল ও তৈলবীজ জাতীয় ফসল। গ্রীষ্মকালীন টমেটো ফুল ঝরা রোধে অত্যন্ত কার্যকরী। ইহা ছাড়াও সকল প্রকার ফসলের ফুল ঝরা রোধে অত্যন্ত কার্যকরী। বিভিন্ন জলাশয় এবং চিংড়ি চাষের ঘেরে ব্যবহার করা যায়।

 

প্রয়োগমাত্রা:

২০-৩০ মিলি গ্রীন টনিক ১০ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। গ্রীন টনিক এর প্রথম প্রয়োগ ফসলের প্রাথমিক পর্যায়, দ্বিতীয় প্রয়োগ বাড়ন্ত অবস্থায় ও তৃতীয় প্রয়োগ ফুল বা ফল আসার আগে ও পরে। একর প্রতি প্রয়োগমাত্রা ২০০-৩০০ মিলি।

 

মাছের জন্য:

 

মাছের নামএকর প্রতি মাত্রা
রুই, কাতল, পাংগাস, সিলভার কার্প, মৃগেল, রাজ পুটি, সর পুটি, তেলাপিয়া, কারফু ইত্যাদি৩০০-৪০০ মিলি
গলদা চিংড়ী, বাগদা চিংড়ী৪০০ মিলি

Green Tonic (4-Chlorophenoxy Acetic Acid)